Start Planning
পহেলা বৈশাখ

পহেলা বৈশাখ 2020, 2021 এবং 2022

বাংলা নববর্ষের উৎসব “পহেলা বৈশাখ” নামে পরিচিত, যা বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস। এটি বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন এবং এ দিনটি সাধারণত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে পড়ে থাকে। এই ছুটির দিন নবজাগরণ, পুনর্জন্ম এবং আনন্দপুর্ন, অনেকটা বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের নতুন বছর উদযাপনের মতই।

বছরতারিখদিনছুটির
202014 এপ্রিলমঙ্গলবারপহেলা বৈশাখ
202114 এপ্রিলবুধবারপহেলা বৈশাখ
202214 এপ্রিলবৃহস্পতিবারপহেলা বৈশাখ
202314 এপ্রিলশুক্রবারপহেলা বৈশাখ
202414 এপ্রিলরবিবারপহেলা বৈশাখ

এই ছুটির দিনটি সারা বাংলাদেশ জুড়ে শ্রদ্ধা সহকারে উদযাপন করা হয়। প্যারেড এবং কোলাহলপুর্ণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, যাে মধ্যে অনেক গুলো প্রাচীন যুগে অনুষ্ঠিত মৌসুমি ও কৃষি উৎসবের অনুরূপ। নতুন বছর দিবস উপলক্ষে সারা দেশে অনুষ্ঠিত ২০০ টিরও বেশি মেলায় স্থানীয় কৃষি পণ্য ও কারুশিল্প বিক্রি হয়। ঐতিহ্যবাহী চরক মেলায় অসামান্য আধ্যাত্মিক চমকপ্রদ শারীরিক কসরত দেখানো হয়।

এই দিনের আগের দিন, ব্যবসায়ীরা তাদের হিসাবের বই বন্ধ করে দেন এবং বাঙালি নববর্ষের দিনে নতুন করে হিসাব রাখা শুরু করেন। তারা বিশ্বাস করেন যে এর মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক পুনরারম্ভ এবং শক্তিশালী হবে।

এই ছুটির দিনে পরিষ্কার করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। সকল মানুষ সকালে গোসল করে এবং তাদের সেরা কাপড়চোপড় পরিধান করে। এরপর, তারা তাদের বন্ধু এবং আত্মীয়দের সাথে দেখা করে, এবং সবাই মিলে একসাথে প্যারেড দেখে অথবা উৎসবে যোগ দেয়।

অনেক মানুষ মিষ্টান্ন আদান প্রদান করে এবং কম বয়সীরা আসন্ন বছরের জন্য দোয়ার আশায় বড়দের পা ছুঁয়ে সালাম করে। এই দিনে তারা এবং গ্রহকে সম্মান করে মণি খচিত আংটি পরার রীতি রয়েছে। হস্তনির্মিত উপহার এবং অভিবাদন কার্ড বিনিময় করা হয় যা সাধারণত স্থানীয় ঐতিহ্য ভিত্তিক।

বছরের শেষ দিনে, বাঙ্গালীরা পঞ্জিকা ক্রয় করে, যার নাম বাংলা বর্ষপঞ্জি, যা পরবর্তী বছর জুড়ে বিভিন্ন উৎসব, অনুকূল দিনের গাইড।