Start Planning
জাতীয় শোক দিবস

জাতীয় শোক দিবস 2020 এবং 2021

প্রতি ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবস। এদিনে বাঙ্গালীরা তাদের প্রথম রাষ্ট্রপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন থেকে পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশ) স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বে দিয়েছেন, তার নিষ্ঠুর হত্যার স্মরণ এবং শোক প্রকাশ করে থাকে।

বছরতারিখদিনছুটির
202015 অগাস্টশনিবারজাতীয় শোক দিবস
202115 অগাস্টরবিবারজাতীয় শোক দিবস

সামরিক অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর একটি ছোট দল শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে যার ফলে বাংলাদেশ ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সামরিক শাসনের অধীনে থাকে। সেই দিনই কেবল “জাতির পিতা” নিহত হন নি, তার বেশির ভাগ পরিবার ও তার বেশ কয়েকজন সুপরিচিত ব্যক্তিদেরও খুন করা হয়েছিল।

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে, রাষ্ট্রপতি রহমানের ব্যক্তিগত বাসভবনে এই ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সর্বমোট ১৮ জন ছিলেন, যাদের মধ্যে দুইজন মহিলা ছিলএন, যাদের মধ্যে একজন গর্ভবতী, তার শালা, তার পুত্রবধূ এবং তার ছেলেরা ছিলেন। শুধুমাত্র তার মেয়েরা, শেখ হাসিনা ও রেহানা, বেঁচে যান কারণ তারা সেই সময় পশ্চিম জার্মানিতে ছিল।

সামরিক সরকার পতনের পাঁচ বছর পর, ১৯৯৬ সালে, জাতির প্রিয় শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীটিকে অবশেষে একটি সরকারী ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এছাড়াও ১৯৯৬ সালে, আওয়ামী লীগ নামে পরিচিত রাজনৈতিক দল দ্বারা পরিচালিত বাংলাদেশী সরকার, শেখ রহমানের, তখনো জীবিত, আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার, দোষী সাব্যস্ত এবং মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত করেছিলো। অবশেষে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারী এদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। এছাড়াও সরকার বিদেশে যেসব হত্যাকারী পালিয়ে গিয়েছিলো তাদের বিচারের আওতায় আনতে চেয়েছিল।

বাংলাদেশে জাতীয় শোক দিবসে, আপনারা লক্ষ করে থাকবেন যে, সারা দেশে সরকারী, শিক্ষা, সাংগঠনিক এবং অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকে। ১৫ই আগস্টের সকালে আওয়ামী লীগ তাদের সকল দলীয় কার্যালয়ে একটি কালো পতাকা উত্থাপন করে, ঠিক যেই সময় সেই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের কথা জানা গিয়েছিলো। পুরো দিনটি পরম গুরুত্ব বহন করে, এবং বাংলাদেশের প্রথম নেতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং সম্মান প্রদর্শন করা হয়।